April 9, 2026, 8:34 pm

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

উখিয়ায় বনবিভাগের দাওয়া খেয়ে বালিভর্তি ৩টি ট্রাক ধরা পড়লো টেকনাফে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার

mostbet

কক্সবাজারের উখিয়া থেকে পাচারকারীদল বালিভর্তি ৩টি ট্রাক (ডাম্পার) নিয়ে পালাতে গিয়ে শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে ধরা পড়লো টেকনাফ বনবিভাগের হাতে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যার দিকে।

বনবিভাগ সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরের দিকে বালুভর্তি তিনটি ডাম্পার ধাওয়া করলে টেকনাফের দিকে পালিয়ে যায়। পরে টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তার সহযোগিতায় ধাওয়া দিলে ট্রাক (ডাম্পার) তিনটি ফেলে পালিয়ে যায় চালকরা। এসময় সড়ক থেকে ডাম্পার তিনটি টেকনাফ রেঞ্জ কার্যালয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।

স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের থাইংখালী ও মোছারখোলা বিটের বনভূমি থেকে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে বালি ও মাটি। অবৈধভাবে রাতের আঁধারে বালি উত্তোলন করে বিক্রয় কেন্দ্র নাম দিয়ে একটি জায়গায় মজুদ রেখে সরকারি ইজারা বা নিলামের বালির গালগল্প শুনিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে আসছে একটি শক্তিশালী চক্র।

স্থানীয় সূত্রটির তথ্যমতে, পট পরিবর্তনের পর দাপট দেখিয়ে ইজারা বা নিলামের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে বনভূমির খাল ও পাহাড় কেটে বালি ও মাটি পাচার করে বিক্রি করছে সিন্ডিকেটটি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন চৌধুরীর নামে একটি রশিদ/ স্লিপ নিয়ে বনভূমির বালি বৈধ করার চেষ্টা করছে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী। যার মধ্যে উঠেছে এসেছে পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের শাহা আলম, সিরাজুল ইসলাম ভুট্টো সহ কয়েকজনের নাম। যারা প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বৈধতা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাহাব উদ্দিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অপকর্ম অস্বীকার করেন।

উখিয়া রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন,” গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বনভূমি থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে পাচার করার সময় তিনটি ডাম্পার ধাওয়া করলে টেকনাফের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে হোয়াইক্যং রেঞ্জ ও টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তার সহযোগিতায় তিনটি ডাম্পার জব্দ করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে,ডাম্পার ভর্তি বালু অবৈধভাবে বনভূমির পাহাড় ও খাল থেকে উত্তোলনকৃত বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত। ডাম্পার ভর্তি বালু অবৈধভাবে বনভূমির খাল থেকে উত্তোলন। এ বিষয়ে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর